Monday, 25 September 2017

গ্রিডলাইন্স এবং কলাম ও রো হেডিং সহ কি ভাবে এক্সেল শিট প্রিন্ট করবেন (How to print Excel Sheet with gridlines and column and row headings)

আপনাদের স্বাগত আমার এই ব্লগে । আজকের বিষয় কি ভাবে আপনারা এক্সেল শিট প্রিন্ট করবেন গ্রিডলাইন্স ও রো  এন্ড কলাম হেডিং সহ। আপনারা নিশ্চই জানেন এক্সেল এ কিছু লিখে প্রিন্ট করতে গেলে সেটা গ্রিডলাইন্স আর উপরের কলাম হেডিং এবং পাশের রো হেডিং বাদ দিয়ে প্রিন্ট হয়।নিচের ছবি দেখুন --
Print Preview মোডে দেখুন 

 কিন্তু কলাম ও রো হেডিং এবং গ্রিডলাইন্স সহ প্রিন্ট করতে গেলে কি করবেন। আসুন দেখে নেওয়া যাক।
১. প্রথমে উপরে Page Layout ট্যাবে ক্লিক করুন → সেখান থেকে Page Setup গ্ৰুপে আসুন → Page Setup               গ্ৰুপের  কোণের  দিকে একটি ছোট্ট তীর চিহ্ন দেখতে পাবেন। সেখানে ক্লিক করুন। (ছবি দেখুন )
২. Page  Setup ডায়লগ বক্স  খুলে যাবে → Sheet ট্যাবে ক্লিক করুন → মাঝামাঝি জায়গায় চারটি চেক বক্স               অর্থাৎ টিক মার্ক করা যায় এরকম চারটি অপশন  দেখতে পাবেন → সেখান থেকে Gridlines ও Row and               Column  Headings চেক বক্সে টিক মার্ক দিন → তারপর OK বোতামে ক্লিক করুন।  (ছবি দেখুন )
  ব্যাস আপনার কাজ শেষ। নিচের ছবি দেখুন --
Print Preview মোডে দেখুন 
Print  Preview  দেখতে গেলে Office Button এ ক্লিক করুন Print অপশন এ যান সেখানে Print Preview  অপশন টি পেয়ে যাবেন।  Print Preview  অপশন এ ক্লিক করুন। 
Print Preview দেখা হয়ে গেলে Close Print  Preview বোতামে ক্লিক করে Print Preview মোড থেকে বেরিয়ে আসুন। 

*** ইন্টারনেটের প্রব্লেমের জন্য অনেক দিন ব্লগটি আপডেট করা হয়নি। এ জন্য দুঃখিত।  
*** আপনাদের আগামী উৎসবের দিন গুলি আনন্দে ভোরে উঠুক।  এই কামনা করি। ভালো থাকুন।  ভালো রাখুন।         ধন্যবাদ।
*** অন্যান্য পোস্ট গুলির দিকে নজর রাখুন। আগামী দিনে আরো নতুন নতুন প্রয়োজনীয় পোস্ট দিতে থাকবো। সঙ্গে        থাকুন।  




Tuesday, 5 September 2017

কম্যান্ড প্রম্প্ট বা dos এর স্ক্রিন কালার কি ভাবে পরিবর্তন করবেন।

কম্পিউটার ব্যবহার শেখার শুরুর দিকে আমরা প্রায় সকলেই DOS বা command Prompt শিখি। যারা জানেন তারা নিশ্চয়ই দেখেছেন যে DOS স্ক্রিন সাধারণত কালো থাকে আর তার উপর সাদা লেখা ফুটে ওঠে। যেটা আমাদের কাছে খুবই একঘেয়ে ও বিরক্তিকর মনে হয়। কিন্তু আপনারা কি জানেন সাধারণ একটি কম্যান্ড ব্যবহার করে আমরা DOS স্ক্রিন কালার পরিবর্তন করতে পারি।আসুন সেটা কি ভাবে, জানা যাক। 

১. প্রথমে আমরা কম্যান্ড প্রম্প্ট খুলবো।  এর জন্য আপনি START বোতামে ক্লিক করুন → ALL PROGRAMS       এ যান → Accessories এ ক্লিক করুন → Command Prompt এ ক্লিক করুন। 
অথবা 
    
    START বোতামে ক্লিক করুন → Run এ ক্লিক করুন → Run  ডায়লগ বক্স খুলে যাবে → Open এর পাশে যে         টেক্সটবক্স দেখতে পাবেন সেখানে cmd কথাটি লিখুন ও OK বোতামে ক্লিক করুন। DOS খুলে যাবে। 


২. এর পর কালার পরিবর্তন করতে গেলে প্রথমে একটি কম্যান্ড লিখতে হবে ও এন্টার কি প্রেস করতে হবে। সেটা নিচে     দেওয়া হলো। এতে কালার পরিবর্তন করতে গেলে কোন কোন কালার ব্যবহার করতে পারবেন তার তালিকা             পাবেন। 

    COLOR ␢ +2 ↲ 

   এখানে অর্থ স্পেস দিতে হবে আর অর্থ এন্টার প্রেস করতে হবে। 


৩. এরপর আমরা কালার পরিবর্তন করবো। এরজন্য আমরা COLOR কমান্ডটিই ব্যবহার করবো। আর কি কালার      দেব সেটা লিস্ট থেকে বেছে নেবো। 
     প্রথমে আমরা ব্যাকগ্রাউন্ড কালার আর তারপর লেখার কালার নির্দেশ করবো । (নিচের ছবিটি দেখুন )


    দেখুন কম্যান্ড হিসেবে কি লেখা হয়েছে। 
    COLOR ␢ 1E ↲ ( এখানে ␢ অর্থ স্পেস দিতে হবে আর ↲ অর্থ এন্টার প্রেস করতে হবে। )
    
   অর্থাৎ 1 = Blue আর E = Light Yellow
   আর এর পরিবর্তে যদি আপনি E1 লিখতেন তাহলে কালার টি উল্টো হতো।  অর্থাৎ ব্যাকগ্রাউন্ড কালার Light          Yellow হতো আর লেখার কালার Blue হতো। 

Saturday, 2 September 2017

সাধারণ নোটপ্যাড ফাইলকে কিভাবে দিনলিপি বা ডায়েরি হিসাবে ব্যবহার করবেন।(How to Use Simple Notepad File as a Diary)

সাধারণত আমরা নোটপ্যাডকে সাধারণ টেক্সট ফাইল বা ওয়েবপেজ তৈরী করতে কাজে লাগাই। আপনাদের জানাই এই সাধারণ নোট প্যাড কে আমরা আমাদের দিনলিপি হিসাবেও ব্যবহার করতে পারি। সেটা কি ভাবে সেটাই আজ আমরা জানবো।
১. প্রথমে আপনাকে নোটপ্যাড খুলতে হবে।  এরজন্য আপনাকে Start  বোতামে ক্লিক করতে হবে →এরপর All               Programs  এ ক্লিক করতে হবে → তারপর Accessories  এ ক্লিক করুন → তারপর ক্লিক করুন Notepad এ।
    আপনার নোটপ্যাড খুলে যাবে।
    অথবা,
     Start  বোতামে ক্লিক করুন  → Run এ ক্লিক করুন → Run  ডায়লগ বক্স খুলে যাবে → Open এর পাশে যে            টেক্সটবক্স দেখবেন সেটাতে notepad টাইপ করুন ও OK বোতামে ক্লিক করুন বা Enter কি প্রেস করুন।
     নোটপ্যাড খুলে যাবে।

২. নোটপ্যাডে নতুন ফাইল দেখতে পাবেন যেটি সাদা থাকবে সেখানে আপনাকে একটি কোড টাইপ করতে হবে। সেটি       হলো

    .LOG (ডট দিয়ে বড় হাতের লিখতে হবে )

৩. ব্যাস , এরপর আপনি এই ফাইল টিকে যেকোনো নাম দিয়ে নির্দিষ্ট স্থানে সেভ করে দিন। এরজন্য আপনাকে               Ctrl +S প্রেস করতে হবে। তারপর সেভ ডায়লগ বক্স আসবে। সেখানে আপনি ফাইলের  নাম দিন ও ফাইলটি           কোথায় সেভ  করবেন তা ঠিক করুন। তারপর সেভ বোতামে ক্লিক করে দিন। 
     
    এই ফাইলটি ই আপনার ডায়েরি হিসাবে কাজ করবে। 
    এই ফাইলটি আপনি যখন খুলবেন তখন সেই দিনের তারিখ ও সময়টা দেখাবে। আপনি আপনার টেক্সট লিখুন।         তারপর আবার সেভ করে নিন। এরকম ভাবেই আপনি পরের বার যখন ফাইল টি খুলবেন আবার নতুন ডেট ও         সময় দেখাবে। এভাবে আপনি নোটপ্যাড কে দিনলিপি লেখার কাজে ব্যবহার করতে পারেন।  

Friday, 1 September 2017

আরো কিছু টিপস (Some more tips)

আজকে আমরা কিছু ছোট ছোট টিপস নিয়ে আলোচনা করবো।

১. তাড়াতাড়ি Windows Task Manager কি ভাবে চালাবেন:

 অনেক সময় কোনো সফটওয়্যার চালু অবস্থায় হ্যাং হয়ে গেলে সাধারণত সেটাকে বন্ধ করার জন্য Windows Task  Manager ব্যবহার করে থাকি।  তার জন্য আমরা তিনটে কি একসাথে প্রেস করি। সেটি হলো Ctrl + Alt + Delete  কি। তারপর একটি উইন্ডো আসে। সেখান  থেকে আমরা Start Task Manager অপশন টি ক্লিক করি। Windows  Task Manager খুলে যায়।  তারপর আমরা যে প্রোগ্রামটি বন্ধ করতে চাই সেটা বেছে নিয়ে End Task বোতামে  ক্লিক করি। ফলে প্রোগ্রামটি বন্ধ হয়ে যায়। এর পরিবর্তে আমরা Ctrl + Shift + Esc  কি তিনটেও একসাথে প্রেস  করতে  পারি।  এতে সরাসরি Windows Task Manager টি খুলে যাবে। 

২. ওয়েব ব্রাউসার এ কোনো উইন্ডো ভুলবশতঃ বন্ধ হয়ে গেলে সেটি কি ভাবে ফিরিয়ে আনবেন :

  ইন্টারনেট ব্যবহার করার সময় আমাদের অনেক সময় ওয়েব ব্রাউজারে এক সাথে একাধিক উইন্ডো খুলে রেখে           কাজ করতে হয়। কিন্তু ভুলবশতঃ যদি কোনো উইন্ডো বন্ধ হয়ে যায় তাহলে খুব অসুবিধায় পড়তে হয়। এই সমস্যা     সমাধানের উপায়টি খুবই সহজ। আপনাকে শুধু কীবোর্ড থেকে তিনটি কি প্রেস করতে হবে।  সেগুলি হলো 
  Ctrl + Shift + T কি।  এই তিনটে কী একসাথে প্রেস করলে আপনার বন্ধ হয়ে যাওয়া উইন্ডোটি পুনরায় ফিরে         আসবে।   

৩. কীবোর্ড খারাপ হয়ে গেলে কিভাবে টাইপ করবেন :

 কীবোর্ড খারাপ হয়ে গেলে কম্পিউটার চালানোই এক প্রকার অসম্ভব হয়ে পরে। কম্পিউটার চালানো গেলেও জরুরি    কিছু টাইপ করতে হলে তা সম্ভব হয় না। তবে এই অসুবিধার সময় আপনাকে সাহায্য করতে পারে On-screen  Keyboard যেটা আপনাকে মাউসের সাহায্যে টাইপ করতে সহায়তা করবে। এতে অবশ্য আপনি কিবোর্ডের মতো  চটজলদি টাইপ করতে পারবেন না। কিন্তু প্রয়োজনীয় কাজ সারতে এটি আপনাকে সাহায্য করবে। 
 তাহলে আসুন কি ভাবে  On-screen  Keyboard চালু করবেন তা জানা যাক। 
 প্রথমে Start বোতামে ক্লিক করুন → All Programs এ ক্লিক করুন → Accessories এ ক্লিক করুন → Ease of  Access  এ ক্লিক করুন→On-screen  Keyboard অপশন এ ক্লিক করুন। আপনার On-screen  Keyboard খুলে  যাবে।
 অথবা 
 আপনি Run  থেকেও On-screen  Keyboard টি খুলতে পারেন। 
 প্রথমে Start বোতামে ক্লিক করুন → Run বোতামে ক্লিক করুন → Run উইন্ডোটি খুলে যাবে→ এখানে Open  বক্সটির পাশে যে টেক্সটবক্স দেখতে পাবেন সেখানে osk কথাটি টাইপ করুন → এরপর OK বোতামে ক্লিক করুন বা  Enter কি প্রেস করুন।On-screen  Keyboard খুলে  যাবে।

  

Thursday, 31 August 2017

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে ব্যবহৃত সকল শর্টকাট কি গুলির লিস্ট ওয়ার্ডে কি ভাবে নিয়ে আসবেন। (How to get a list of all the shortcut keys used in Microsoft Word.)

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে কাজ করার সময় আমরা অনেকেই শর্টকাট কি ব্যবহার করতে ভালোবাসি। এতে ওয়ার্ডের কাজ যেমন সহজ হয় কাজ তেমনি তাড়াতাড়িও হয়।  কিন্তু সব শর্টকাট কি সকলের জানা না থাকার কারণে আমরা সব ক্ষেত্রে শর্টকাট কি ব্যবহার করতে পারিনা। শর্টকাট কি খোঁজার জন্য আমাদের নেটের সাহায্য নিতে হয়। তাতেও প্রয়োজনীয় কয়েকটি শর্টকাট ছাড়া বিশেষ কিছু পাওয়া যায় না। যেমন copy র জন্য Ctrl +C অথবা Paste র জন্য Ctrl +v  প্রভৃতি। আমরা এতো কষ্ট না করে  Microsoft Word এ ই সম্পূর্ণ শর্টকাট কি এর লিস্টটি খুঁজে পেতে পারি এবং তা প্রিন্ট ও করতে পারি। সেটা কি ভাবে  সেটাই আজ আলোচনা করবো। 

১. প্রথমে Microsoft Word খুলুন। ( আমি উদাহরণ হিসাবে Microsoft Word 2007 ব্যবহার করেছি )

২. এরপর View ট্যাব এ ক্লিক করুন →  Macros গ্রুপের অন্তর্গত Macros অপশন এ ক্লিক করুন → একটি লিস্ট           খুলবে, সেখান থেকে View Macros অপশন এ ক্লিক করুন। (ছবি দেখুন )


৩. Macros  ডায়লগ বক্স খুলে যাবে → নিচের দিকে Macros in ড্রপ ডাউন লিস্ট দেখতে পাবেন → সেখানে তীর         চিহ্নে ক্লিক করুন ও লিস্ট থেকে Word commands অপশনটি বেছে নিন। (ছবি দেখুন )


৪. উপরে Macro -র একটি বড় লিস্ট দেখতে পাবেন সেখান থেকে ListCommands অপশন টি বেছে নিন। ( এতো         গুলো নামের মধ্যে ওই অপশনটি খুঁজে পাওয়া মুশকিল হতে পারে। তাই জন্য উপরে Macro name বক্সে                     ListCommands কথাটি লিখুন। তাহলে সঙ্গে সঙ্গে পেয়ে যাবেন)→ সেই অপশনটির উপরে ক্লিক করে পাশে Run       বোতামে ক্লিক করুন। 


৫. এরপর List Commands নামে একটি ছোট্ট ডায়লগ বক্স আসবে→ সেখানে OK বোতামে ক্লিক করুন। 

  দেখুন আপনার শর্টকাট কি র লিস্ট ওয়ার্ডে প্রিন্ট হয়ে গেছে। 

** অন্যান্য পোস্ট গুলি দেখুন। 

Wednesday, 30 August 2017

Windows 7 এর স্টার্ট মেনুতে Run কমান্ড কি ভাবে যুক্ত করবেন?(How to add the Run command to Windows 7's Start menu?)

কম্পিউটারে প্রথম যখন আমরা Windows 7 ইনস্টল করি তখন সাধারণত Start মেনু তে Run কম্যান্ড টি দেখা যায় না। কিন্তু প্রোগ্রাম রান করাবার জন্য রান কমান্ডটি খুবই কার্যকরী। রান কমান্ডটি ছাড়া আমাদের অনেক অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়। আজ আমরা জানবো কি ভাবে স্টার্ট মেনুতে Run কমান্ডটি  যুক্ত করতে হয়।

১. প্রথমে নীচে taskbar এর উপরে ফাঁকা জায়গায় রাইট ক্লিক করুন → একটি লিস্ট আসবে → সেখান থেকে                 Properties অপশন এ ক্লিক করুন।

২. Taskbar and Start Menu Properties ডায়লগ বক্স খুলে যাবে।

৩. উপরে Start Menu ট্যাব এ ক্লিক করুন→ তারপর Customize... বোতামে ক্লিক করুন।

৪. Customize Start Menu ডায়লগ বক্স খুলে যাবে।
৫. এরপর পাশের স্ক্রলবারটি মাউস দিয়ে টেনে নামান আর কম্যান্ড এর লিস্টটির দিকে খেয়াল রাখুন।

৬. প্রায় নিচের দিকে Run Command চেকবক্সটি দেখতে পাবেন। দেখবেন সেটি ফাঁকা , কোনো টিক্ মার্ক দেওয়া  নেই→আপনি সেই বক্সে ক্লিক করে টিক্ মার্ক দিয়ে দিন → এরপর নিচে OK বোতামে ক্লিক করুন।

৭. আবার Taskbar And Start Menu Properties ডায়লগ বক্স সামনে চলে আসবে→  সেখানে নিচের দিকে প্রথমে       Apply  বোতাম ও তারপর OK বোতামে ক্লিক করুন।

    Start বোতামে ক্লিক করে দেখুন Run কমান্ডটি লিস্টে যুক্ত হয়ে গেছে।


Tuesday, 29 August 2017

আপনি আপনার কম্পিউটার স্ক্রীন টী ঘোরাবেন কি ভাবে ?( how do you rotate your computer screen?)

অনেক সময় ভুলবশতঃ আমাদের কম্পিউটারের স্ক্রিনটি ঘুরে যায়। হয়তো দেখা যায় Taskbar টি নিচের দিকে না হয়ে পুরো স্ক্রিনটি উল্টে উপর দিকে হয়ে গেছে।  নিচের ছবি দেখুন -

 এ রকম অবস্থা হলে ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই।  কারণ কয়েকটি key এর মাধ্যমে এই সমস্যা সমাধান করা  সম্ভব। সেগুলি হলো -

Ctrl+Alt+ Up Arrow key= অর্থাৎ Ctrl ও Alt কী দুটি একসাথে প্রেস করে কিবোর্ডের ডান দিকের  "↑" তীর চিহ্ন দেওয়া বোতাম টি টিপুন।  এরফলে আপনার কম্পিউটার স্ক্রিনটি  সোজা হয়ে যাবে।
Ctrl+Alt+ Down Arrow key= অর্থাৎ Ctrl ও Alt কী দুটি একসাথে প্রেস করে কিবোর্ডের ডান দিকের "↓" তীর চিহ্ন দেওয়া বোতাম টি টিপুন।  এরফলে আপনার কম্পিউটার স্ক্রিনটি  উল্টো হয়ে যাবে।(উপরের ছবির মতো )
Ctrl+Alt+ Left Arrow key= অর্থাৎ Ctrl ও Alt কী দুটি একসাথে প্রেস করে কিবোর্ডের ডান দিকের "←" তীর চিহ্ন দেওয়া বোতাম টি টিপুন।  এরফলে আপনার কম্পিউটার স্ক্রিনটি  বা দিকে  ঘুরে  যাবে।
Ctrl+Alt+ Right Arrow key= অর্থাৎ Ctrl ও Alt কী দুটি একসাথে প্রেস করে কিবোর্ডের ডান দিকের  "→"  তীর চিহ্ন দেওয়া বোতাম টি টিপুন।  এরফলে আপনার কম্পিউটার স্ক্রিনটি  ডান দিকে  ঘুরে  যাবে।

সুতরাং কম্পিউটার স্ক্রিন সোজা করতে হলে আপনাকে সরাসরি Ctrl+Alt+ Up Arrow key গুলি প্রেস করতে হবে।
*** অন্যান্য পোস্ট গুলি দেখুন।

আপনার কম্পিউটারে অদৃশ্য ফোল্ডার কি ভাবে বানবেন ???(How to make invisible folders on your computer ???)

আপনার কম্পিউটারে কোনো ফোল্ডার কে সম্পূর্ণ রূপে গোপন না করেও স্ক্রিনে থাকা অবস্থাতেও অদৃশ্য করতে পারেন। সেটা কি ভাবে করা সম্ভব সেটাই আজ আমরা জানবো।
১. প্রথমে একটি ফোল্ডার তৈরী করুন। ( স্ক্রিনের ফাঁকা জায়গায় রাইট ক্লিক করুন→ লিস্ট থেকে New অপশন এ    ক্লিক করুন → Folder অপশনে ক্লিক করুন → আপনার স্ক্রিনে ফোল্ডার তৈরী হয়ে যাবে। )
 ফোল্ডারের নীচে  ফোল্ডারের নাম লেখার জায়গা দিবে।  সাধারণত আমরা সেখানে ফোল্ডারের নাম লিখি। তারপর  এন্টার কি প্রেস করি। সেই নামে ফোল্ডার তৈরী হয়ে যায়।আর নাম না দিলে New Folder নামে ফোল্ডারটি সেভ  হয়ে যায়।এ ক্ষেত্রে আমরা নাম দেব। কিন্তু নাম দিলে ফোল্ডার  অদৃশ্য করা সম্ভব নয়। তাই ফোল্ডারের  এমন  নাম দিতে হবে যা হবে অদৃশ্য। তাই ফোল্ডারের নাম দেওয়ার পরিবর্তে আমরা একটি কোড টাইপ করবো।
 সেটি হলো --
  Alt+0160 অথবা Alt+255 এর অর্থ হলো আপনাকে নাম দেওয়ার  সময় কীবোর্ড থেকে Alt key টি প্রেস করা    অবস্থায় 0160 অথবা 255 নম্বর টি টাইপ করতে হবে। এরপর আপনাকে এন্টার কি টি প্রেস করতে হবে।
 এরফলে আপনি দেখবেন আপনার ফোল্ডার তৈরী হয়েছে ঠিকই কিন্তু তার নামটি অদৃশ্য। এতে নামটি অদৃশ্য হলো।

২. এরপর আমরা দ্বিতীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।  তা হলো ফোল্ডারটি কে গোপন করা।
     এর জন্য আপনাকে ফোল্ডারটির উপরে মাউস দ্বারা রাইট ক্লিক করতে হবে → একটি লিস্ট আসবে →              সেখান থেকে আপনাকে Properties অপশন এ ক্লিক করতে হবে

 → properties  ডায়লগ বক্স খুলে যাবে



→ উপরের দিকে Customize ট্যাব এ ক্লিক করুন → এরপর নিচে Change Icon... বোতামে ক্লিক করুন →
     Change Icon for folder নামক ডায়লগ বাক্স আসবে → সেখানে অনেক গুলি আইকন দেখতে পাবেন →সেগুলি সরিয়ে সরিয়ে দেখলে আইকন গুলির মধ্যে কিছু জায়গা খালি দেখতে পাবেন → সেখানে যে কোনো একটি       তে ক্লিক  করুন → এরপর Ok বোতামে ক্লিক করুন।


     → আবার Properties ডায়লগ বক্সে ফিরে এলে সেখানে প্রথমে Apply তারপর  Ok বোতামে ক্লিক করুন।

     আপনার ফোল্ডারটি সম্পূর্ণ রূপে অদৃশ্য হয়ে গেছে।
     *** ফোল্ডারটি অদৃশ্য হলেও সেটি ওই জায়গাতেই থাকবে। তাই  মাউসের তীর টি তার উপরে এলেই সেখানে যে                অদৃশ্য ভাবে কিছু আছে সেটি বোঝা যাবে।  তাই ফোল্ডার টিকে এমন জাগায় রাখুন যেখানে মাউসের তীর               টি নিয়ে যাওয়ার সম্ভবনা কম।
     *** আপনি পুরোনো ফোল্ডারকেও Rename করে অদৃশ্য করতে পারেন।

     ***অন্যান্য পোস্ট গুলি দেখুন।
          কম্পিউটারে কি ভাবে স্ক্রীন শট নেবেন।
          কোনও নতুন সফটওয়্যার ছাড়া কি ভাবে স্ক্রীন রেকর্ড করবেন
          ফ্রি ব্লগ কি ভাবে তৈরি করবেন???

Monday, 28 August 2017

কম্পিউটারে কি ভাবে স্ক্রীন শট নেবেন।(How to take a screen shot on a computer)

আগের দিন আমি আপনাদের কি ভাবে কম্পিউটার স্ক্রিন রেকর্ড করতে হয় তা জানিয়ে ছিলাম।  আজকে আমরা শিখবো কি ভাবে কম্পিউটারে স্ক্রিন শট নিতে হয়। অনেক সময় ডক্যুমেন্ট অথবা ছবি বিশেষত ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করতে গেলে নেট যদি ধীরে চলে তাহলে খুব অসুবিধা হয়। এ ক্ষেত্রে আমরা স্ক্রিনশটের সাহায্য নিয়ে থাকি। এর জন্য আপনাকে নতুন কিছুই করার দরকার নেই।  শুধু ব্যবহার করতে হবে একটি বিশেষ Key আপনার keyboard থেকে।  সেটি হলো Prt Scr SysRq

১. প্রথমে যেই স্ক্রিনটির স্ক্রিনশট নিতে চান সেটি খুলুন।
২. এরপর আপনার কিবোর্ডের ডানদিকে উপরের দিকে Prt Scr SysRq কি টি দেখতে পাবেন। সেটি তে প্রেস        করুন।
৩. এরপর আপনি আপনার কম্পিউটারে Paint সফটওয়্যারটি খুলুন।
     তার জন্য আপনাকে Start এ ক্লিক করতে হবে → এরপর যান All Programs এ → এরপর Accessories এ যান      → শেষে Paint অপশন এ ক্লিক করুন। অথবা Start এ ক্লিক করতে হবে → Run এ ক্লিক করুন → একটি বক্স      আসবে। সেখানে Open লেখার পাশে যে টেক্সটবক্স দেখতে পাবেন সেখানে লিখুন mspaint (কোনো স্পেস দিবেন না)
     → এরপর Ok তে ক্লিক করুন অথবা কীবোর্ড থেকে Enter কি টি প্রেস করুন। পেইন্ট সফটওয়্যার টি খুলে যাবে।
৪. এরপর আপনি আপনার কীবোর্ড থেকে Ctrl কী  ও V কী দুটি একসাথে প্রেস করুন। (ctrl+v)
     এরফলে আপনার নেওয়া স্ক্রিনশটটি পেইন্ট এ পেস্ট (Paste) হয়ে যাবে।
৫. এরপর File মেন্যু  তে যান → Save এ ক্লিক করুন → Save As বক্স খুলে যাবে → নিচে file name সংলগ্ন বক্সে    ফাইলের নাম দিন → Save বোতামে ক্লিক করুন। আপনার নেওয়া স্ক্রিনশট টি সেভ হয়ে যাবে।

  Realated Post : কোনও নতুন সফটওয়্যার ছাড়া কি ভাবে স্ক্রীন রেকর্ড করবেন

Sunday, 27 August 2017

কোনও নতুন সফটওয়্যার ছাড়া কি ভাবে স্ক্রীন রেকর্ড করবেন...(How to record a screen without any new software)

অনেক সময় ভিডিও তৈরী করার জন্য বা প্রয়োজনীয় পদ্ধতি মনে রাখার জন্য আমাদের স্ক্রিন রেকর্ড করতে হয়। 
কিন্তু এর জন্য কম্পিউটারে বিশেষ  সফটওয়্যার ইনস্টল করার প্রয়োজন পড়ে। আমরা আজকে শিখবো কি করে নতুন কোনো সফটওয়্যার ইনস্টল না করেই স্ক্রিন রেকর্ড করা যায়। এর জন্য আমরা একটি সাধারণ নিত্য প্রয়োজনীয়  সফটওয়্যার ব্যবহার করবো। যেটা সাধারণত সব কম্পিউটারেই ইনস্টল করা থাকে। যার নাম হলো 

VLC MEDIA PLAYER.

এটা  সাধারণত সকলেই মিডিয়া প্লেয়ার হিসাবে ব্যবহার করে থাকেন।

আসুন তাহলে দেখা যাক কি ভাবে VLC Media Player  কে স্ক্রিন রেকর্ডার হিসাবে ব্যবহার করা যায়। 

১. প্রথমে VLC Media Player খুলতে হবে। এর জন্য প্রথমে  Start এ ক্লিক করুন→ এরপর All Programs এ ক্লিক করুন → এখানে VideoLAN এ ক্লিক করুন → সর্বশেষে ক্লিক করুন VLC Media Player অপশন এ। 

     VLC Media Player খুলে যাবে। 
২. এরপর Media মেনু তে ক্লিক করুন → এখান থেকে Open Capture Device অপশন এ ক্লিক করুন। এর পরিবর্তে আপনি Ctrl+C বোতাম দুটিও প্রেস করতে পারেন। 

৩. এর ফলে Open Media ডায়লগ বক্স খুলে যাবে। এখানে উপরের দিকে চারটে ট্যাব দেখতে পাবেন। আপনাকে Capture Device ট্যাবটি সিলেক্ট করতে হবে। 
     এর পর উপরের দিকেই Capture Mode বলে একটি অপশন দেখতে পাবেন। তার পাশে যে ড্রপ ডাউন মেনু পাবেন সেখান থেকে Desktop অপশন টি সিলেক্ট করুন। 
৪. মাঝামাঝি জায়গায় ফ্রেম রেট সেট করার জন্য একটি বক্স দেখতে পাবেন। সেখানে ফ্রেম রেট হিসাবে 30.00 f/s সেট করুন। 
৫. এরপর নিচের দিকে Play বোতামের পাশে একটি  ছোট্ট তীর চিহ্ন দেখতে পাবেন।  সেটি তে ক্লিক করুন → এখন থেকে Convert অপশন এ ক্লিক করুন। 
৬. Convert ডায়লগ বক্স উপস্থিত হবে। নীচের দিকে Browse বোতামে ক্লিক করুন। 
৭. Save As ডায়লগ বক্স খুলে যাবে। এখান  থেকে  আপনাকে নির্দিষ্ট স্থানটি বেছে নিতে হবে যেখানে আপনি        রেকর্ডেড ফাইল টি সেভ করবেন। এছাড়া File Name বক্সে ফাইলটির নাম লিখতে হবে। তার সাথে অবশ্যই .MP4 এক্সটেনশন টি জুড়তে হবে।  যেমন - myrecord.mp4 . → এরপর Save বোতামে ক্লিক করুন। 
৮. এরপর Convert ডায়লগ বক্সের নীচের দিকে Start বোতামে ক্লিক করুন। আপনার রেকর্ডিং শুরু হয়ে যাবে। 
      
      VLC Media Player উইন্ডো টি মিনিমাইজ করে দিন। যখন রেকর্ডিং শেষ হয়ে যাবে VLC Media Player কে সরাসরি বন্ধ করে দিন। আপনার রেকর্ডেড ফাইল টি আপনার নির্দেশিত স্থানে জমা হয়ে গেছে।


Saturday, 26 August 2017

ফ্রি ব্লগ কি ভাবে তৈরি করবেন??? (How to create a free blog???)

ইংরেজি Blog শব্দটি  Weblog থেকে এসেছে ।এটি এক ধরণের অনলাইন ব্যক্তিগত দিনলিপি বা ব্যক্তিকেন্দ্রিক পত্রিকা। যিনি ব্লগে লেখেন  তাকে  ব্লগার বলা হয়। বিভিন্ন বিষয় ভিত্তিক ব্লগ দেখা যায়। যেমন -মনোরঞ্জন জগৎ (সিনেমা , গান , টেলিভশন প্রোগ্রাম অথবা সেই সংক্রান্ত গসিপ ), ট্রল বা  মজা করার জন্য , বিজ্ঞান ভিত্তিক , টেকনোলজি , ভ্ৰমণ , অনলাইনে কেনাকাটা , বাজার অর্থনীতি, ছবি, ভিডিও  সম্পর্কিত ব্লগ বহুল প্রচারিত।  ব্লগাররা সেই সংক্রান্ত জ্ঞান ব্লগ-এ পোস্ট করেন ও তা প্রচার করেন। যারা ব্লগ পড়েন তারা কমেন্টও করতে পারেন।  এমন কি ব্লগাররা AdSense এর মাধ্যমে অর্থও উপার্জন করতে পারেন। 
অনেকের ধারণা ব্লগ তৈরি করতে টাকা খরচ করতে হয়। অবশ্য ডোমেইন কিনতে  হলে টাকা খরচ করতে হয়। কিন্তু ফ্রিতেও আমরা ব্লগ তৈরী করতে পারি।  এ সম্বন্ধে আজ আমরা শিখবো।  আর  এটা  খুবই সোজা।

ব্লগ কি ভাবে তৈরি করবেন???

১. প্রথমেই আপনাকে দেখতে হবে আপনার    gmail -এ একাউন্ট আছে কিনা। যদি থাকে তাহলে আপনি পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেন। নচেৎ সব থেকে আগে  gmail-এ আপনার একটা ইমেইল একাউন্ট খুলে নিন। ধরে নেওয়া হলো আপনার জিমেইল একাউন্ট আছে। ( পরবর্তী কোনো পোস্ট-এ অবশ্যই জিমেইল একাউন্ট তৈরী সম্বন্ধে আপনাদের জানাবো)

২. এবার আপনার ওয়েব ব্রাউজারের উপরের দিকে এড্রেস বার এ যান ও www.google.com লিখুন এবং কীবোর্ড থেকে এন্টার বোতাম টি প্রেস করুন। এর ফলে আপনি google-এর হোম পেজে পৌঁছে যাবেন। 

৩. এরপর পেজের উপরে ডান কোণের দিকে ৯টি বিন্দু সমষ্টি যুক্ত google apps বাটন দেখতে পাবেন।  সেখানে ক্লিক করুন।More অপশন-এ ক্লিক করুন।  এখানে আপনি Blogger এপ্ টি খুঁজে পাবেন। সেখানে ক্লিক করুন।

৪. একটি নতুন Window খুলে যাবে।  এখানে আপনি CREATE YOUR BLOG লেখা একটি বোতাম দেখতে পাবেন। সেটির উপরে ক্লিক করুন।


৫. এরপর একটি নতুন window আসবে যেখানে আপনাকে আপনার জিমেইল একাউন্ট এ প্রবেশ করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হবে।  আপনি আপনার জিমেইল আইডী টি এন্টার করুন ও next বোতামে ক্লিক করুন। এরপর আপনি Password বক্সে পাসওয়ার্ড এন্টার করুন ও sign in বোতামে ক্লিক করুন।


৬. Create a new Blog নামে একটি dialog box আসবে।এখানে আপনি ব্লগের নাম ,  এড্রেস প্রভৃতি লিখতে পারবেন।  থিম বেছে নিতে পারবেন।


৭. Title লেখার পাশে যে বক্স দেখতে পাবেন তাতে আপনার ব্লগের নাম কি হবে সেটা লিখুন।  যেমন আমার ব্লগের নাম কম্পিউটার-এর Tips এবং Tricks এখন  বাংলায়


৮. Address লেখার পাশে যে বক্স দেখতে পাবেন তাতে আপনার ব্লগের এড্রেস কি হবে সেটা লিখুন।  যেমন আমার ব্লগের এড্রেস হলো bengalicomputertricks.blogspot.com যে নাম ই দিন তা ছোট  হাতের ও স্পেস না দিয়ে লিখুন।


৯. এরপর আপনি থিম বেছে নিন। এটা  পরেও  বেছে নিতে পারেন।


১০. এরপর Create Blog বোতামে ক্লিক করুন।


১১. Find a domain Name বলে একটি বক্স আসবে। সেখানে No Thanks বোতামে ক্লিক করুন।


আপনার ব্লগ তৈরী।


এবার আপনি ব্লগ-এ পোস্ট করতে চাইলে উপরের দিকে New Post বোতামে ক্লিক করুন। উপরের দিকে Post Title বক্স-এ আপনার পোস্ট-এর টাইটেল দিন।  নিচে একটি বড় বক্স দেখতে পাবেন। সেখানে আপনি আপনার পোস্ট লিখতে পারেন। লেখার ফরমেট ঠিক করার জন্য উপরে অনেক অপসন আছে।  সেগুলি ব্যবহার করতে পারেন। বাংলা বা অন্য কোনো ভাষায় লিখতে গেলে উপরে ভাষা পরিবর্তনের ছোট বোতাম আছে। সে টিতে ক্লিক করে ভাষা পরিবর্তন করতে পারেন। পোস্ট টি প্রকাশ বা Publish করার আগে আপনি উপরে ডান দিকে Preview বোতামে ক্লিক করে দেখে নিতে পারেন আপনার পোস্টটি পাঠক রা কেমন ভাবে দেখতে পাবেন। এরপর Publish বোতামে ক্লিক করুন।

আপনাকে অভিনন্দন আপনি আপনার প্রথম ব্লগ পোস্ট করে ফেলেছেন।
এই ভাবে আপনি আপনার একটি একাউন্ট থেকেই অজস্র ব্লগ তৈরী করতে পারবেন।

বাঁদিকে  আরো অনেক অপসন আছে এগুলো আপনারা নিজেরা ঘেটেও শিখতে পারেন। কোনো অসুবিধা হলে ইমেইল করে বা কমেন্ট করে জানাতে পারেন।


আপনাদের মতামত আমার কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।  আপনাদের মতামত-এর অপেক্ষায় রইলাম।


Friday, 25 August 2017

সুস্বাগতম বন্ধুগণ...

কেমন আছেন বন্ধুরা ????
এটা আমার প্রথম Post এই Blog-এ। ...
আমরা প্রত্যেকেই প্রত্যেক দিন কিছু না কিছু শিখছি। ...
 সেই শেখাটাই সবার কাছে বিলিয়ে দেওয়ার ছোট্ট প্রয়াস এই ব্লগ।..
আপনাদের শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা একান্ত কাম্য।..
যা হবে আমার এগিয়ে চলার পাথেয়।..
এই ব্লগ যদি আপনার জ্ঞান বৃদ্ধিতে সামান্য অংশ গ্রহণ করতে পারে তাহলে আমার কষ্ট সার্থক বলে মনে করবো। ..
ব্লগের পোস্ট ভালো লাগলে অথবা কিছু জানানোর থাকলে কমেন্ট করতে পারেন বা আমাকে ইমেইল করতে পারেন।..
শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা নেবেন।..
শুভরাত্রি। ... কালকে দেখা হবে কিছু  Post নিয়ে। ...

গ্রিডলাইন্স এবং কলাম ও রো হেডিং সহ কি ভাবে এক্সেল শিট প্রিন্ট করবেন (How to print Excel Sheet with gridlines and column and row headings)

আপনাদের স্বাগত আমার এই ব্লগে । আজকের বিষয় কি ভাবে আপনারা এক্সেল শিট প্রিন্ট করবেন গ্রিডলাইন্স ও রো  এন্ড কলাম হেডিং সহ। আপনারা নিশ্চই জানেন...